Lyrics

Free Songs Lyrics Download

Lyrics

Free Songs Lyrics Download

Upolobdhi- A Bengali Story Writing By Experience

এটি আমাদের Bangla Golpo সেগমেন্ট।
আপনি কি এই ধরণের গল্পগুলি খুঁজছেন যেমন- bangla vuter golpo, sotti vuter golpo, bengali horror story, bangla koster golpo, notun bangla golpo, story in bengali, bangla vuter story তাহলে আপনি সঠিক সাইটে এসেছেন।
এখানে আমরা বিভিন্ন ধরনের বাংলা গল্প শেয়ার করব। আমরা বাঙালিরা প্রায় সবাই গল্প পড়তে পছন্দ করি।
ব্যোমকেশ রহস্য-রোমাঞ্চ থেকে শুরু করে ভালবাসার গল্প দুঃখের গল্প সব রকম গল্প আমরা পড়তে পছন্দ করি।
তাই ওয়েবসাইটে আমরা আপনাদের কাছে নানা ধরনের Golpo এর সম্ভার তুলে ধরবো আর সব গুলি হবে বাংলায়।
আজকে যে গল্পটি আমরা আলোচনা করব সেটি হল একটি ভূত নিয়ে অভিজ্ঞতার গল্প। Bangla এই golpo টি পড়ে দেখুন আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।
নিজের মাতৃভাষা বাংলায় যদি আপনি ভালো ভালো Bangla Golpo পড়তে চান তাহলে আমাদের এই ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে থাকুন। আমাদের এই ওয়েবসাইটে আমরা ভবিষ্যতে আরও বাংলা কবিতা বিভিন্ন লেখা এবং নানা ধরনের অন্যান্য বাংলায় কোয়েটস গুলি আলোচনা করব।
এই ওয়েবসাইটে আপনি যাতে বাংলা ভাষায় ভালো ভালো কোয়েটস, স্ট্যাটাস, গল্প-কবিতা যাতে পান সেটি আমাদের প্রচেষ্টা।
চাইলে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন, এর জন্য আপনাকে মেইল এড্রেসে যোগাযোগ করতে হবে অথবা টেলিগ্রামে ম্যাসেজ করতে পারেন। আজকে আমরা নিয়ে আলোচনা করব তাহলে শুরু করা যাক।
উপলব্ধি। তবে এটি ঠিক গল্প নয়, এটি একটি বাস্তব উপলব্ধির কিছু কথা। লেখাটি অবশ্যই পুরোটি পড়ুন। আশা করছি সকলেরই পুরো লেখাটি পড়ে ভালো লাগবে।

“আসলে ছোটবেলাটাই ভাল ছিল, কত সুন্দর না ছিল সেই দিনগুলো” আমরা সবাই বড় হওয়ার পর একবার না একবার এই কথাটাই বলি। । কোন রাগারাগি ছিলনা, ছিলনা কোন ভুল বোঝাবুঝি, জানতাম না মিথ্যা কথা বলা, সত্যি কথা বলতে অনুভূতিটাই অন্যরকম ছিল।

আমরা আজ বড় হওয়ার পর একটা জিনিস বুঝেছি,  ছোটবেলা সবাই ভাবতাম কবে বড় হব। আর এখন এটাই ভাবি যে কেন বড় হলাম ছোটবেলায় তো বেশ ভালো ছিলাম। কতোইনা ভালো ছিল দিনগুলো। ছিলনা মন-কষাকষি, জানতাম না ইগো কি, অপমান কি? নিজেদের মধ্যে অনেক ঝগড়াঝাঁটি ছিল ঠিকই, তবে ঝগড়াঝাঁটি শেষে একসাথে হাত ধরে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরাটার মধ্যেও একটা অন্যরকম মজা ছিল। হ্যাঁ, ঠিক ভুল হিসাবটা তখন অত ভালো করে বুঝতাম না। সেটাই বোধহয় বেশি ভালো ছিল।

তখন বন্ধুত্বটা ছিল খোলামেলা। এখনকার মতো হিসাব করে বন্ধুত্বটা হতো না হঠাৎ করেই হয়ে যেত। মারামারি হতো প্রচুর, ক্লাসে মনিটর দের উপর কত রাগই না হত, এতো কিছুর পরও বন্ধুত্বটা ছিল খাঁটি। কাল হয়তো তার সাথে রাগারাগি হয়েছে আজই আবার দুজনে এক টিফিন কৌটতে চাউমিন খাচ্ছি। আসল বন্ধুত্বটা তো ছিল সেই লাস্ট বেঞ্চে। সবকটা ক্লাসে স্যার/ম্যাডামদের মুখে একটাই কথা তোমাদের মত দুষ্টু স্টুডেন্ট আমাদের সারা স্কুলে নেই। বাবা স্কুলে আসার আগে যে পাঁচটাকার কয়েনটা দিত, ওটাই ছিল আমাদের কাছে অনেক। তারপর সেই টিফিন খাওয়া। আসলে ভেতরে খাবারটা যাই হোক সব বন্ধুরা মিলে মিশে ভাগ করে খাওয়াই ছিল টিফিনের আসল মজা।

ছোটবেলায় কত ভেবেছি বড় হয়ে অনেক কিছু করব। ছোটবেলাটা ভালো না, বড় হলে অনেক মজা হবে। তখন ছোটবেলায় বুঝতাম না বড় হওয়ার পর কখনো সেই ছোটবেলাতেই আমরা ফিরতে চাইবো। আসলে এই যে দায়িত্ব ব্যাপারটা আছে, সেটা ছোটবেলায় বুঝতাম না।

আসলে এখন আমাদের মনটা যেমন জটিল ছোটবেলায় এরকম ছিল না ছোটবেলায় অনেক সরল মন ছিল সহজেই সবাইকে বিশ্বাস করতাম, কেউ কাউকে ঠকাতো না। আসলে তখন নিজেদের মধ্যে এই ঠকানো ব্যাপারটা ছিল না। ভালো হলেও, আর খারাপ হলেও মুখের উপর বলতাম, লুকিয়ে-চুরিয়ে ব্যাপারগুলো ছোটবেলায় একদমই ছিলনা।

স্কুলে কোন অনুষ্ঠান হোক, খেলাধুলা অথবা প্রতিযোগিতা সবকিছুতেই এগিয়ে আসতো সেই লাস্ট বেঞ্চের স্টুডেন্টরাই।

বন্ধুত্বের পাশাপাশি ছোটবেলায় আরেকটি বিষয় ছিল, যেটি ছিল স্কুল টিচার কে নিয়ে মজা করা বিভিন্ন নাম দেওয়া, ক্লাসের মাঝে হঠাৎ করে স্যারকে  আমাদের দেওয়া বিভিন্ন নাম ধরে ডেকে তারপর চুপ করে যাওয়া। স্যার বুঝতেই পারতো না যে স্যারকে ওই নামে কে ডাকছে। তখন স্যারের কড়াকড়ি একটু বেশিই বেড়ে যেত।

আর সেই শিক্ষক এর কথা সকলেরই মনে আছে, যে ক্লাসে এসেই বেতের বাড়ি দিত। আর কেউ কোন কোন স্যার ছিল যারা ক্লাসে সত্যি খুব ভালো পড়াতো, সারা ক্লাস সেই স্যারকে খুব ভালোবাসতো। কখনো কখনো কোন কোন স্যারের উপর খুব রাগ হতো। আর সেই স্কুলের ম্যাডাম টা যার ওপর ক্রাশ সবারই ছিল। আবার সেই ম্যাডামটা ক্লাসের ফার্স্ট বয় অথবা সেকেন্ড বয় কে একটু বেশিই ভালবাসতো।

যেই উচ্চমাধ্যমিকটা পাশ হল মনে মনে ভাবতাম কলেজে গিয়ে সেই মজা হবে। কত বন্ধু আলাদা কলেজে ভর্তি হলো অনেক বন্ধুর সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল। কলেজের শুরু হল, দুদিন ঘোরাফেরা বন্ধুদের সাথে সিনেমা দেখা কিন্তু তখনও সবশেষে আবার সেই সবাই স্কুল লাইফটাকেই মিস করতাম।

আবার রাস্তা ঘাটে যাওয়ার সময় যদি সেই পুরনো স্কুলের ম্যাডাম বাসের সাথে দেখা হয়ে যেত যাকে সবচাইতে ভয় পেতাম, প্রণাম করতে যেতাম, কত সুন্দর সেই স্যার কথা বলতো। “কিরে ভালো আছিস? তো বাড়িতে সবাই ভালো তো? এখন কি করছিস?” – তখন নিজেরাই ভাবতাম এই স্যার কে আমি এত ভয় পেতাম। এভাবেই দেখতে দেখতে কলেজ লাইফটা শেষ হয়ে গেল।

এর মাঝে কিছু কথা ছিল যা বলা হয়নি। যেমন কারো প্রেমে পরে একসাথে ঘোরা, একসাথে মুভি দেখা। কারও কারও প্রেম টিকে গেল, কারও আবার ব্রেকআপ। মোটামুটি কলেজ লাইফটা শেষ হতে হতে কারও কারও তিন-চারটে ব্রেকআপ অলরেডি কমপ্লিট। সবার একটা করে সেই বন্ধু ছিল যে জ্ঞান দিত যে ভাই ভালোবাসা এই, ভালোবাসা ওই, মানে যেন ও ভালোবাসায় পিএইচডি করেছে। কিন্তু খোঁজ নিলে দেখা যাবে সে নিজে একটাও প্রেম করেনি।
আবার ফিরে আসি কলেজ লাইফের পর।

কলেজ শেষ হওয়ার এক দু’বছরের মধ্যেই জীবনটা কেমন যেন পাল্টে যেতে লাগল। কেউ কেউ চাকরির জন্য পড়াশোনা, কোন কোন বন্ধু অলরেডি চাকরি পেয়ে গেছে আর্মি অথবা ডিফেন্স লাইনে, কেউ হয়তো অন্য কিছু কাজ করছে যেমন গান,নাচ, আঁকা সেখানে কেউ পারদর্শী। আর বছর দুই যেতেই এবার যেন একটু অন্যরকম জীবন সম্পর্কে অভিজ্ঞতা হতে থাকলো। কিছু কিছু মানুষের কাছের মানুষ গুলোই তাকে ছেড়ে চলে গেল। চাকরি না পাওয়ার কারণে কত ছেলে মেয়ের প্রেম ভেঙে গেল। অভিজ্ঞতা সবাই একটাই প্রধানত পায় যে এ পৃথিবীতে স্বার্থ ফুরালে সবাই চলে যায়। মানে এই বয়সটা আমাদের বাস্তবটা শিখিয়ে দেয়, বলে দেয় যে এ পৃথিবীতে স্বার্থ ফুরালে সবাই চলে যায়।”আর প্রেম পায় না” জীবনে কিছু করতে হবে” -এই একটা কথাই বারবার মনে হয়। ইতিমধ্যে কত বন্ধু বান্ধবীর বিয়ে হয়ে যায়, কারো কারো আবার তো বাচ্চা হয়ে যায়। দেখা হলে বলি, কিরে তোর বিয়ে হয়ে গেছে। পুরনো বন্ধুদের সাথে দেখা হলে কখনো কখনো বলি চাকরি পেয়ে গেছে বলে ওর ইগো বেড়ে গেছে, কেউ আবার দেখা হলে মুখ ফিরিয়ে নেয়। মুখ ফেরায় না শুধু লাস্ট বেঞ্চের সেই বন্ধুরা, যাদের সাথে একসময় প্রচুর মারামারি করেছি, আড্ডা দিয়েছি। এভাবেই জীবনটা ঠিক কেটে যাচ্ছে।

মাঝে মাঝে মনে হয়, সত্যি আজ আমরা অনেকটাই বড় হয়ে গেছি। কেউ হয়তো এখনও একা আছি, কেউ আবার এখন সংসারী। কিন্তু সবার মধ্যে থেকেও হয়তো আমরা একা। আজও কি আমরা সত্যিই নিজেদের চিনতে পেরেছি? জানা নেই, এতটা পথ পার হয়েও এসেও কখনো কখনো আমরা নিজেকেই খুঁজে চলি। আজও আমরা প্রতিনিয়ত এই জীবনকে উপলব্ধি করে চলেছি আর খুঁজে চলেছি এই জীবনের মানে।

কেমন লাগলো আজকের লেখাটি? কমেন্টে অবশ্যই জানাবেন। যদি ভালো লেগে থাকে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন ও এরকমই আরও ভালো ভালো লেখা পেতে আমাকে ফলো করুন।
আপনাদের মতামতই আমাকে ভালো লেখার প্রেরণা দেয়….
ধন্যবাদ-
সুমিত গুহ

উপসংহার-

আশা করছি আপনাদের Bangla Golpo সেগমেন্ট টি ভালো লেগেছে। কেমন লাগলো আজকের গল্পটি।

যদি গল্পটি ভালো লেগে থাকে তবে আপনার মতামত নিচে কমেন্ট বক্সে জানান আর এরকমই আরও গল্প পেতে বা আপনার নিজের গল্প এখানে পোস্ট করতে আমাদের মেইল করুন ঠিকানায়।

Upolobdhi- A Bengali Story Writing By Experience

Leave a Reply

Scroll to top